এতিম ও দুস্থদের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। সকলের সহযোগিতা চাই — চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে, এতিমের হক রক্ষায়।
কী করব: ৬৪টি জেলায় চামড়া সংগ্রহ, লবণাক্তকরণ ও সংরক্ষণ বিষয়ে স্থানীয় কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
কেন দরকার: প্রশিক্ষিত জনবল ছাড়া চামড়ার মান বজায় থাকে না — বছরে কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
কী করব: কুরবানির পরপরই প্রশিক্ষিত জনবল দিয়ে লবণাক্তকরণ ও সংরক্ষণ — যাতে চামড়া নষ্ট না হয়।
কেন দরকার: ঈদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংরক্ষণ না হলে চামড়ার মান অর্ধেকে নেমে যায়।
কী করব: দেশের সকল মাদ্রাসা ও এতিমখানার যাচাইকৃত নিবন্ধন, ম্যাপিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।
কেন দরকার: একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার ছাড়া স্বচ্ছ বণ্টন অসম্ভব — দালালরা এই শূন্যতারই সুযোগ নেয়।
কী করব: মধ্যস্বত্বভোগী-মুক্ত, স্বচ্ছ, সরাসরি ব্যাংক-টু-ব্যাংক পেমেন্ট পরিকাঠামো।
কেন দরকার: এতিমের হক যেন কোনো হাত-বদল ছাড়াই সরাসরি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকে পৌঁছায়।
কী করব: এতিম ও দুস্থদের সেবায় অভিজ্ঞ স্বেচ্ছাসেবী টিম — মাঠ পর্যায়ে সমন্বয়ের জন্য।
কেন দরকার: প্রতিটি লেনদেন ও সংরক্ষণ-কাজে দায়িত্বশীল ব্যক্তি থাকা স্বচ্ছতার পূর্বশর্ত।
কী করব: কমিউনিটির পরামর্শ ও মাঠ-অভিজ্ঞতা অনুযায়ী নতুন সেবা যোগ — আপনার প্রস্তাবও স্বাগত।
কেন দরকার: চামড়া শিল্পের সমস্যা বহুমাত্রিক — সমাধানও ধাপে ধাপে বিকশিত হবে।
প্রতিটি ধাপ পরিকল্পিত — সময়মতো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
মাদ্রাসা ও এতিমখানা হিসেবে নিবন্ধন করুন, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যোগ দিন, কিংবা আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা দিন। সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।